
সূত্রে প্রকাশ,যশোরের শানতলায় সাবেক পেপসি কোম্পানির মধ্যে অবস্থিত এসিআই ফিড প্রসেসিং সেন্টারের এক কর্মচারীকে সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে গত ৩০ আগষ্ট অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ইনর্চাজ নাজমুল হাসান ১ সেপ্টম্বর ৫ জনকে আসামী করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় শানতলা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলীর ৩ ছেলে যুবলীগ কর্মী, জাহাঙ্গীর, টুটুল, স¤্রাটকে আসামী করে। আসামীদের দাবি ঘটনার সাথে তারা জড়িত নয়। জাহাঙ্গীরের মা জানান, রোববার সকাল আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটের দিকে সাদা পোশাকে ৮/১০ জন ব্যক্তি আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে আমার ছেলেদের খুজঁতে থাকে। এ সময় আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা আমাকে বিভিন্ন অকথ্যভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে। তিনি আরো জানান, আমার ছেলেদের না পেয়ে তারা আমার ঘরে প্রবেশ করে সকল আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তার অভিযোগ, এ সময় বাড়িতে থাকা নগদ ৫৭০০ টাকা ও একটি র্স্বনের চেইন তারা নিয়ে যায়। এদিকে, আাসামী ধরার নামে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর সাথে র্দূব্যবহার ও বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। তাদের দাবি অভিযোগ থাকলে পুলিশ যেকাুুউকে গ্রেফতারে অভিযান চালাতে পারে তবে বাড়ি ঘর ভাংচুর করেতে পারে না। মামলার আসামী কাশিমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা জাহাঙ্গীর হোসেনের দাবি যে মামলায় আমাকে আসামী করা হয়েছে তা সর্ম্পকে আমি কিছুই জানেনা। এদিকে, সাদা পোশাকে প্রকাশ্যে দিবালোকে ভাংচুরের ঘটনায় গোটা মহল্লায় মহিলাদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।খোজ নিয়ে জানা গেছে যশোর কোতয়ালী মঢেল থানার ওয়ান র্থ্রীর এস আই তারেকসহ একদল পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মামলার অপর আসামী রনিকে আটক করে পুলিশ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন